AnuTrickz
QUESTION or DOUBT ? You can Ask Questions and Receive Answers from other members of the community
Ask Me

Join Us





এক সময় কলেজের দারোয়ান ছিলেন! কঠোর পরিশ্রম করে আজ সেই কলেজেরই প্রিন্সিপাল ইনি

 এক সময় কলেজের দারোয়ান ছিলেন! কঠোর পরিশ্রম করে আজ সেই কলেজেরই প্রিন্সিপাল ইনি

এক সময় কলেজের দারোয়ান ছিলেন! কঠোর পরিশ্রম করে আজ সেই কলেজেরই প্রিন্সিপাল ইনি

কথায় আছে মানুষ একবার যে স্থির করে তা সে যত কঠিনই হোক না কেন সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় যদি সঠিক নিষ্ঠা এবং মনে সেই আশ্বাস থাকে। নিজের সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে গেলে করতে হয় কঠোর পরিশ্রম এবং থাকতে হয় অসীম ধৈর্য এবং নিষ্ঠা তাহলে মানুষ নিজের সাফল্যের চূড়া ছুঁতে পারে। এ রকমই একটি গল্প ঈশ্বর সিং বরগাহ -এর জীবনে রয়েছে। ছত্তিশগড়ের ভিলাই নামক এক শহরের বাসিন্দা ঈশ্বর সিং। বর্তমানে তিনি একজন কলেজের প্রিন্সিপাল।

জীবনের কাছে হার স্বীকার না করেই তিনি তার লক্ষ্যে পৌঁছেছেন। এখন তিনি বহু মানুষের অনুপ্রেরণার এবং সাহস। পরিবারের আর্থিক অবস্থা সচ্ছল না হয় তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন কোনদিন সফল হতে পারেনি। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি। বর্তমানে তিনি যে কলেজের প্রিন্সিপাল একসময় সে কলেজের মালি ছিলেন তিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার আজকের এই সাফল্য। ঈশ্বর সিং জন্মগ্রহণ করেন বেথলপুরের ঘুটিয়া গ্রামে। সেই গ্রামে তার প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করে মাত্র ১৯ বছর বয়সে কাজের সন্ধানে ভিলাই চলে আসেন তিনি।

ভিলাই তে এসে তিনি প্রথমে একটি কাপড়ের কারখানা তে কাজ করতে শুরু করেন। তার প্রথম মাসিক বেতন ছিল ১৫০ টাকা। এর পরে তিনি উচ্চশিক্ষার আশায় কল্যান কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু পড়াশোনার পাশাপাশি কাপড়ের ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে তার অসুবিধা হচ্ছিল তাই তিনি কলেজেরই মালির কাজ করতে শুরু করেন এরপর তিনি কলেজের দারোয়ান হিসেবে নিযুক্ত হন। এর পরে তিনি সুপারভাইজার হিসেবে কাজ শুরু করেন। এভাবেই ১৯৮৯ সালে তার গ্রাজুয়েশন পাস করেন। তার পড়াশোনা চলাকালীন কলেজের প্রিন্সিপাল, HOD এবং অন্যান্যরা তাকে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। পড়াশোনা চলাকালীন তিনি দুবার প্রি. বি.এড এ চান্স পান। কিন্তু আর্থিক সহায়তা সেরকম ভাবে না থাকায় তিনি সেখানে ভর্তি হতে পারেননি। এরপর তিনি সেই কলেজে দারোয়ানের চাকরি নেন এবং বি.এড পড়াশোনার জন্য ভর্তি হন।

এরপরে গ্রাজুয়েশন শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি সেই কলেজের ক্রাফট শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন। ঈশ্বর সিং প্রতিটা কাজই নিষ্ঠা ভাবে সম্পন্ন করত এবং তার পড়াশোনার প্রতি ঝোঁক ছিল প্রবল। তার এই নিষ্ঠাভরে কাজ এবং বাচ্চাদের পড়ানোর অদম্য ইচ্ছে দেখে ২০০৫ সালে কলেজের সঞ্চালন সমিতি ছত্তিশগড় কল্যাণ মহাবিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল পদে নিযুক্ত করেন তাকে।তার এই গল্প বহু মানুষ এর কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করে।

Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Area